মডেল টেস্ট — পরীক্ষার আগে পরীক্ষাটা

পড়া হয়েছে কি না, সেটা বোঝার একটাই উপায় — ঘড়ি ধরে বসে যাওয়া। বণ্টন আর সময় আসল পরীক্ষার মতোই রাখা।

তিন রকম টেস্ট

সময় আর বণ্টন আসলটার মতো

মডেল টেস্টের মানে যদি হয় শুধু কিছু প্রশ্ন একসঙ্গে দেখানো, তাহলে সেটা অনুশীলন, পরীক্ষা নয়। এখানে ঘড়ি চলে, প্রশ্নসংখ্যা আর বণ্টন আসল পরীক্ষার মতো রাখা হয়, আর একবার শুরু করলে শেষ করতে হয়।

ব্যাংকে ১,৫০০টির বেশি আলাদা পরীক্ষা আছে — বোর্ড, কলেজের টেস্ট আর ভর্তি পরীক্ষা মিলিয়ে। মানে একই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে দেওয়ার দরকার পড়ে না।

টেস্ট শেষে যা পাও

দুর্বল টপিক আলাদা করে বলে দেওয়া হয়, তাই পরের বার কোথায় সময় দেবে সেটা নিয়ে ভাবতে হয় না।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি হলে

ভার্সিটি ধরে টেস্ট দিতে চাইলে ভর্তি পরীক্ষার পাতাটা দেখো — কোন ভার্সিটির কত প্রশ্ন আছে সেটা ওখানে দেওয়া। মেডিকেল আর ডেন্টালের জন্য আলাদা সেট আছে।

যা জানতে চাও

মডেল টেস্ট কি আসল পরীক্ষার মতো?

বণ্টন আর সময় আসলটার মতোই রাখা হয়। ইউনিভার্সিটি মডেল টেস্টে যে ভার্সিটির ধরন, প্রশ্নও সেই ধরনের — ঢাবির ক ইউনিটের টেস্ট আর গুচ্ছের টেস্ট এক নয়।

কতগুলো মডেল টেস্ট দেওয়া যাবে?

ব্যাংকে ১,৫০০টির বেশি আলাদা পরীক্ষা আছে, আর প্রশ্ন ১ লাখেরও বেশি। একই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসার মতো অবস্থা হয় না।

টেস্ট শেষে কী পাওয়া যায়?

প্রশ্ন ধরে ধরে ঠিক-ভুলের তালিকা, প্রতিটা ভুলের সঠিক উত্তর, টপিক ধরে নির্ভুলতার হিসাব আর আগের টেস্টের সঙ্গে তুলনা।

মাঝপথে টেস্ট থামানো যায়?

টেস্ট সময় ধরে চলে — উদ্দেশ্যটাই আসল পরীক্ষার চাপটা তৈরি করা। ছোট অনুশীলন করতে চাইলে দ্রুত অনুশীলন আছে, সেখানে ঘড়ির চাপ নেই।

আরও দেখো

প্র্যাকটিস করো, নির্ভুল হও।

১ লাখ প্রশ্ন অপেক্ষা করছে।