কোন বিষয়ে কত প্রশ্ন
সংখ্যাগুলো ব্যাংক থেকে সরাসরি নেওয়া, গোল করে বলা নয়। এইচএসসি বিজ্ঞান বিভাগের সব বিষয়, সঙ্গে ইংরেজি আর সাধারণ জ্ঞান — কারণ ভর্তি পরীক্ষায় ওই দুটোও লাগে।
ভর্তি পরীক্ষার আলাদা সেট আছে — আইবিএ, মানসিক দক্ষতা, গণিত। প্রশ্ন যোগ হচ্ছে নিয়মিত।
প্রশ্ন আসে কোথা থেকে
১৩০টির বেশি উৎস। একটা প্রশ্নও নিজেদের বানানো নয় — প্রতিটার পেছনে একটা সত্যিকারের পরীক্ষা আছে, আর অ্যাপে প্রতিটা প্রশ্নের সঙ্গে সেই উৎসের নাম লেখা থাকে।
মোট ১,৫০০টির বেশি আলাদা পরীক্ষা — বছর ধরে ধরে আলাদা করা।
অধ্যায় নয়, টপিক ধরে
বেশির ভাগ প্রশ্নব্যাংক অধ্যায় পর্যন্ত গিয়ে থামে। এখানে প্রতিটা প্রশ্ন ১,৯৫০টির বেশি অধ্যায় ও টপিকের কোনো একটার নিচে বসানো — মানে “পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র” নয়, “নিউটনের গতিসূত্র” ধরে অনুশীলন করা যায়।
এতে দুটো জিনিস হয়। এক, আজ ক্লাসে যেটা পড়েছ শুধু সেটাই ধরতে পারো — পুরো সিলেবাস ঘাঁটতে হয় না। দুই, ভুলের হিসাবটাও টপিক ধরে থাকে, তাই কোথায় আটকাচ্ছ সেটা আন্দাজ করতে হয় না।
ভুলগুলো নিজে থেকেই সামনে আসে
তুমি উত্তর দাও, অ্যাপ টপিক ধরে ধরে হিসাব রাখে। যেখানে ভুলের হার বেশি, সেই টপিক নিজে থেকেই উপরে উঠে আসে। খাতা মিলিয়ে বের করতে হয় না যে দুর্বলতা কোথায়।
মডেল টেস্ট দিলে সেই হিসাব আরও পরিষ্কার হয় — কোন প্রশ্নে কত সময় গেল, কোন টপিকে কত শতাংশ ঠিক হলো, সব আলাদা করে দেখা যায়।
যা জানতে চাও
প্রশ্নব্যাংকে কত প্রশ্ন আছে?
১ লাখেরও বেশি — ১,৯৫০টির বেশি অধ্যায় ও টপিকের নিচে সাজানো, ১৩০টির বেশি উৎস থেকে তোলা। সবগুলোই আসল পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন।
কোন ক্লাসের জন্য?
মূলত এইচএসসি — বিজ্ঞান বিভাগের সব বিষয়, সঙ্গে ইংরেজি আর সাধারণ জ্ঞান। এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আলাদা সেট।
প্রশ্নগুলো কি বানানো?
না। প্রতিটা প্রশ্ন কোনো না কোনো আসল পরীক্ষা থেকে নেওয়া — বোর্ড, কলেজের টেস্ট পেপার বা ভর্তি পরীক্ষা। অ্যাপে প্রতিটা প্রশ্নের সঙ্গে উৎস লেখা থাকে।
একই প্রশ্ন বারবার আসবে?
না। তুমি যে অধ্যায় বা টপিক বাছবে সেখান থেকেই প্রশ্ন আসবে, আর কোনগুলো আগে দিয়েছ অ্যাপ মনে রাখে।